মুখে মুখোশ লাগিয়ে আপন হওয়া মানুষগুলো বেশিদিন মুখোশ পড়ে থাকতে পারে না, হৃদয়ের জ্বালা যন্ত্রণা হিংসা, প্রতিহিংসায় অন্ধ হয়ে, একসময় মুখোশ থেকে বেরিয়ে এসে নিজের আসল ভেজাল চেহারা দেখাতে বাধ্য হয়ই।

Advertisements

আজি শরৎ তপনে প্রভাত স্বপনে কী জানি পরান কী যে চায়

প্রতিদিন মানুষ যদি নিরিবিলি প্রকৃতির সাথে একান্ত সময় কাটাতে পারে, তবে সে মানসিক শারীরিক সব দিক দিয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবেন। আসলে আমরা তো প্রকৃতিরই অংশ।
প্রকৃতি আমাদের দেহে মনে তো প্রভাব ফেলবেই সেটাই স্বাভাবিক। প্রকৃতি বলতে; প্রকৃতির যে কোন কিছু; যে কোন ঋতু, বনজঙ্গল, গাছপালা, সাগর, নদী, কিংবা দিগন্ত ভরা সাদা কাশফুল মন ভালো করে দেবার জন্য যথেষ্ট।

 

আজি শরৎ তপনে প্রভাত স্বপনে কী জানি পরান কী যে চায়।
ওই শেফালির শাখে কী বলিয়া ডাকে বিহগ বিহগী কী যে গায় গো।।

আজি মধুর বাতাসে হৃদয় উদাসে, রহে না আবাসে মন হায়
কোন্‌ কুসুমের আশে কোন্‌ ফুলবাসে সুনীল আকাশে মন ধায় গো।।

আজি কে যেন গো নাই, এ প্রভাতে তাই জীবন বিফল হয় গো
তাই চারি দিকে চায়, মন কেঁদে গায় “এ নহে, এ নহে, নয় গো’।

——গীতবিতান

 

আমাদের চারপাশে পথে ঘাটে টুকটাক দুই একটা সাদা কাশফুল উঁকি দিয়ে জানান দেয় যে শরত ঋতু এসেছে। কাশফুল এর শুভ্রতা এমনই যে এর ফুরফুরে হাল্কা আকৃতির মতনই মন দ্রুতই হাল্কা হতে থাকে।

ছবিগুলো তুলেছি দিয়া বাড়ি থেকে, সেখানে দিগন্তের পর দিগন্ত জুড়ে কাশফুল আর নীল আকাশ মিলে মিশে একাকার।

দিয়া বাড়ি ছাড়াও কাশফুল আছে আশুলিয়া, দক্ষিন খান, পূর্বাচল, তিনশো ফিট, রামপুরার বনশ্রীর আফতাবনগর সহ আরও অনেক জায়গায়।

জীবন মৃত্যু রোগ শোক চিন্তা ভাবনা

আমার কলিগ বান্ধবী অনামিকা অবুঝের মতন আমাকে বলে আচ্ছা হানি মানুষ একসময় মরে যাবে মরে যায় তাহলে মানুষ কেন এত হিংসা করে কেন এত শত্রুতা করে কেন এত রাগ জিদ মারামারি হানাহানি লোভ ক্ষতি ?
বললাম, অন্য মানুষের কথা বাদ দাও আপন মানুষই তো কত অমন করে তবে এটাই জীবনের বৈচিত্র্য, কেউ ভালো কাজ করবে, কেউ খারাপটা, কেউ ভালবাসবে কেউ ঘৃণা করবে কেউ উপকার তো কেউ ক্ষতি পৃথিবীর আলো অন্ধকারের মতন, অমাবস্যা পূর্ণিমার মতন সত্য আর মিথ্যার মতন বিচিত্রতা মানুষের আচরনে থাকবেই এই হচ্ছে পৃথিবী এই হচ্ছে জীবন।

সোনামেঘ

সোনামেঘ,
বাস্তববের খসখসে পৃথিবী কেঁড়ে নিয়েছে আমাদের আহ্লাদের আকাশ।
আকাশের ঠিকানা ভুলে, মেঘেদের পানে তোমার জন্য এই চিঠি।
তুমিতো আমার আমৃত্যু মেঘ। তাই মেঘেদের ঠিকানায় তোমার জন্য এ লিখা।
কেমন আছো? আবেগহীন ডিজিটাল সময়ের যান্ত্রিক প্রহর-
কিভাবে পাড়ি দাও ? সাংবিধানিক গণতন্ত্রের বারুদে রাজপথ, আতঙ্কিত অনুভবে- সাতান্ন ধারার মতো তোমাকেও দাবড়িয়ে বেড়ায়- গুমের দেশ হয়ে ? কাঁচের জারের সোনালী মাছের আদুরে ভালোবাসায় তুমিও কি, বি চৌধুরীর মতো- বেচারা চৌধুরী হয়ে গেছো? তোমাকে নিয়ে এমনই হাজারো প্রশ্ন, মহাজোটের মতো দাড়িয়ে যায়- গৃহপালিত বিরোধীদলের হয়ে।
আমি? বাহ্যিক অবস্থার মানচিত্র খানিক রোগাটে দেখালেও, হৃদয়ের স্ফীত জল- সীমা
আরও বেড়েছে। ভুলো মন, আরও ভুলো হচ্ছে- টের পাই…।

সেদিন হয়েছে কি-
আসরের নামাজ পড়তে গিয়ে বারবার সুরা ভুল করছি। নামাজ শেষে আবার নতুন করে
নামাজ পড়ছি। এভাবে কয়েকবার….। নিজের ছায়াটাও আজকাল ভুলে যাই।
কি করব বল- সারাজীবন ভুল জমির চাষাবাদ, এত সহজেই কি ভুলের দখল ভুলা যায়?
মাঝে মাঝে তোমাকে ভাবতে গিয়ে সারারাত শেষে ভোর হয়, শিশির শুঁকিয়ে সকাল,
তবু ভাবতেই থাকি….! অবহেলার সেই তুখোড় দিনের ভাবনা- অবাধ্য আবেগে আদ্র করে
মনের আকাশ। পরচুলার মতো নিশ্চল বেঁচে থাকা তখন- বড়ই পুড়ায়।
ভাবি- কোটিপতির হাত থেকেও নোংরা পুরানো তেলচটচটে দুই টাকার একটা নোট
পড়ে গেলে, সে আবার কুঁড়িয়ে নেয়। মনের হাত থেকে ভালবাসা একবার পড়ে গেলে,
তাকে আর কুঁড়িয়ে নেয়না- কেউই…। আহা-রে ইভিএমের ডিজিটাল মন!!!

খ্যাতির জোসনায় পোহানো আলোয়- পরাধীনতার মল, কেমন মানিয়েছে তোমায়?
কিভাবে কাটে তোমার রাতজাগা ভোর, বিষণ্ণ দুপুর, রোদহীন বিপন্ন বিকেলের- মেঘলা সন্ধ্যা?
মধ্যরাতের আকাশ আর জোসনার চোর- পুলিশ মাতামাতি, আগের মতোই কি
উদাস ছড়ায় হৃদয়ের নিতাইপুরে? এমন অগুন্তি ভাবনার সাত সমুদ্র তের নদী- ব্যাকুল করে আমায়।পরিচিত ভুলের প্রায়শ্চিত্ত আমাকে মুক্তি দেয়না । দাসত্বের ভোরে তবু-
সকাল আসে। জীবিকার তাগাদা ঘরের বাইরে টানে আমায়। দশটা- পাঁচটা দায়িত্ব সেরে,
আবার নিঃসঙ্গের কাছে ফিরে যাওয়া। এখানে পরাজিত মানেই- পদানত।
তাই মানুষের ভীড় সজ্ঞানেই এড়িয়ে চলার নিরন্তর চেষ্টা। আজ আর লিখছিনা।
কলমের অবস্থাও- অক্সিজেন দেওয়া রোগীর মতো- যাই যাই…। তুমি ভালো আছো- এটাই
শান্তনা। দুইটা লাশের চেয়ে, একটা লাশের বোঝা, অনেক হালকা- তাই না?
নিবিড় আকাশের শান্ত মেঘের স্নিগ্ধ বেঁচে থাকা- ঘিরে রাখুক তোমায়।
তোমার আজন্ম ভুলে থাকা-
“রোদ” ।

Are we Born With Tragedy?

41490002_355431974998371_8769140345519959449_n

“But how can we heal with all these tragedies flowing in our blood?” She asked.

“We don’t,” I replied as I held her hand. “The reality of life is that some storms end while some storms don’t. Some dark clouds will follow us all our lives. Dark clouds that remind us of our failures, our inner mental demons and our powerlessness over some things that make it extremely difficult to get on with everyday life.”

“So how can we survive?”

“We survive in moments. Moments when someone who we genuinely care for gives us a glimpse of their own darkness, and that’s when we begin to remember that there’s light, so much light to be found in revealing our own darkness to someone who chooses to embrace it.”

অসহ্য দিনগুলা আর তুমিও

সারাদিন কাজ কইরা যেই সময়
বাইরে বের হই,
সেই সময় চারদিকে অক্সিজেনের ঘাটতি।
আলো ও কইমা যায়;
সূর্যের আলো।

প্রত্যেকদিন শরীরের শিরা উপশিরা
একেকটি রক্তের কনিকা জানে
অসুস্থ শরীরে কায়িক শ্রমের ক্লান্তি।
জানেনা শুধু
আকাশের উড়ন্ত ছোট্ট পাখিগুলা,
মাথার উপর দিয়া হইচই রব তুইলা
অকস্মাৎ উইড়া যায়।
ওদের সুখ অসহ্য লাগে।
তুমি কি ঐ ছোট্ট পাখির দলের নেতা?
মানুষের কষ্ট তো কানাকড়িও বুঝতে দেখি নাহ।

বচ্ছরের পর বচ্ছরের আমার কষ্টের ইতিহাসগুলা
সরাইতে সরাইতে হাত পা ক্ষয় হইছে গো।
চোখের জ্যোতি ও কইমা গেছে
আমি যে অন্ধের খাতায় নাম উঠাইলাম,
সেইগুলা দেখার তোমার সময় কই।

আচ্ছা
তোমার কাছে সার্জারি করার যন্ত্রপাতি আছে নাকি?
আমার হার্টটা জরুরী ভিত্তিতে অপসারণ করা দরকার।
ঐটা কয়েক শতাব্দী ধইরা ড্যামেজ হইয়া পইড়া আছে।।
তার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়াও
আমি ভালো বোধ করতেছিনা,
মস্তিস্ক কাঁপতেছে বেহুদা।।